পোস্টগুলি

এই পথ ধরে হুমায়ূন কবীর, মাসয

ছবি
  আমি দীর্ঘকাল হাঁটছি এই পথ ধরে ঠিক জানি এ পথেই হবে সেই  বাড়ি। কষ্ট হলেও করতে না পারি  তাই আড়ি। হ্যা জীবন দিয়ে দেবো এ পথের পরে। তোমার বাড়ির পথ তবু ছেড়ে যাবো?  এ কথা ভাবতেই তো গায়ে জ্বর আসে। বাঁচি  আশায় আশায়, প্রতিটি নিঃশ্বাসে জপছি তোমারই নাম কী করে ভুলবো? মনের ভিতর একটা প্রশ্ন জাগছে।  আর কতো দিন গেলে ঠিকানাটা পাবো খুঁজে  পৃথিবীর পরে?এই জীবনের  সত্যিকার সুখ আমি, যা হাসিতে আছে তোমার ঠোঁটের কোণে?শুধু তুলে নেবো ইচ্ছে-খুশি যখন সে আমার  প্রাণের ।  এই পথ ধরে  হুমায়ূন কবীর, মাসয ২৩/৫/২৬

হাড় গলিয়ে দেবো হুমায়ূন কবীর, মাসয

ছবি
 রাগ করলা? একটু পর তোমার জামাকাপড়ও খুলে নেবো। রাগ করলা? পাকা আম খাবা, জামাকাপড় খুলবা না তাই কি হয়? রাগ করলা? পাকাপকা আমা,পাকা জাম,পাকা কাঁঠাল  সব,সব খাবা? খাও,খাও। আমি সবকিছু পাকিয়ে পাকিয়ে তোমার সামনে দেবো। তুমি খাবা,তুমি শুধু খাবা। বিনিময়ে কিচ্ছু কবো না। আমি শুধু তোমার জামাকাপড় খুলে নেবো। রাগ করলা?  ঘাম মুছবা-- দদদড়,দদদড়। নুন চাখবা। দূর্বল হবা না, তাই কি হয়? ঘুড়ি ওড়ানো বাতাস নিবা, কচি তাল সাস সুড়ুৎ সুড়ুৎ।  জামাকাপড় খুলবা না, তাই কি হয়?  আমি তোমার সব খুলে নেবো। রাগ করলা?  লিচু খেতে কেমন লাগছে? এ হে!  গালচি বেয়ে রস গড়িয়ে পড়ছে, চেটে খাও।চেটে খাও। তরমুজ?  ফলসা,করমচা? সব নাও, সব খাও  শুধু জামাকাপড় খুলে ফেলো। আমি তোমার সব খুলে নেবো? রাগ করলা? রাতে শুয়ে শুয়ে  বুক ভরে নিশ্বাস নিবা কদম জুঁই  বেলি হাসনাহেনা  রাধাচূড়া  কৃষ্ণচূড়া। আর মনমাতানো ঘন বকুল  তো জানলার পাশে থাকলোই। শুধু আমি তোমার চামড়া আর রক্তমাংস ভেদ করে ভিতরে ঢুকে  হাড় গলিয়ে দেবো। রাগ করলা?  হাড় গলিয়ে দেবো  হুমায়ূন কবীর, মাসয ২২/৫/২৬

একজন ভালো ছাত্রের কষ্টের জীবন, খণ্ড ২,পর্ব৬

ছবি
  রিপনের সম্মান বেড়েই যাচ্ছে। সম্মানী হিসেবে সে আগে পেয়েছিলো একটা চটের বস্তা,এখন পেয়েছে একটা পুরনো গামছা। বস্তার উপর গামছা পেতে সে মহুরিগিরী করছে।মহামান্য মহুরি। মহামান্য মহুরি ক্ষুধার্ত পেটে হিসেব লিখছে।  আশ্রয়হীন স্টেশনে এই বা কম কিসে? " এ ভাই, হিসেবটা ঠিক মতো লিখছো তো? না -।ছমিরকে জিতিয়ে দিচ্ছো?" কণ্ঠে কোনো মায়াদয়া নেই। চাছা ছোলা প্রশ্ন। রিপন শুকনো মুখে তাকালো।পূর্ব পাশের চিকন লোকটা আড় চোখে তাকিয়ে আছে। প্রশ্নটা সেই করেছে। তার নাম নাজিম।তার এক চোখ হাতে ধরা তাসে অন্য চোখ রিপনের মুখে।  " না।মানে।ঠিকই তো লিখছি।এই দেখেন।" রিপন আমতা আমতা করে জবাব দিলো। " কই,দেখি?" দক্ষিণ পাশের লোকটা খেঁকিয়ে উঠলো। " এই শালার মুর্খ নাজিম। খাতা দেখবি, তুই পড়তে পারিস? এই ছুরি দেখেছিস? শালা ভুড়ি নামিয়ে দেবো।" কাসেমের হাতে ছুরি। তাস খেলা বন্ধ। নাজিম দা বের করেছে। নতুন চকচকে দা।রিপন ভয়ার্ত চোখে তাকিয়ে আছে। এখনি খুনোখুনি, রক্তারক্তি হবে না-কি? এ সে কাদের মহুরিগিরি করছে?এরা ডাকাত দল নাতো? "এই দেখ দা।বাঁশ কাটার জন্য কিনেছিলাম এখন তোর হাত কাটবো। শুয়োরের বাচ্চা। লোক চিনিস।...

ভাইরাল গান, তুমি প্রতারণা করেছো

ছবি
ভাইরালগান শুনতে এখানে ক্লিক করুন  ভাইরালগান

সাইমন বিশ্বাস সূর্য

ছবি
 সাইমন বিশ্বাস সূর্য 

নিজের গান

ছবি
 একটা গান

তার নাচানাচি

 তার নাচানাচি  সে যে কী গান গায় জানা তো নাই